Pocket Option ন্যূনতম ডিপোজিট ভারত: 2026 প্রবেশ খরচ

·

Pocket Option ন্যূনতম ডিপোজিট ভারত: 2026 প্রবেশ খরচ

প্রবেশ পরিমাণ

প্রবেশ সীমা এই খাতে ইচ্ছাকৃতভাবে নিচু রাখা হয়, যাতে সিদ্ধান্তটি সহজ মনে হয়। নিচু সীমা কোনো ছাড় নয়, এটি একটি নকশাগত পছন্দ, এবং সেটাই এর সবচেয়ে কাজের ব্যাখ্যা।

অপারেটরের প্রচারমূলক ভাষায় প্রবেশ সীমাটি খুব ছোট বলেই উপস্থাপিত হয়, এবং কার্যত এই শ্রেণির প্ল্যাটফর্মগুলোতে সীমাটি সত্যিই নিচু থাকে। কিন্তু নির্দিষ্ট সংখ্যাটি আমরা লিখছি না, এবং কারণটি ব্যবহারিক: সংখ্যাটি পাতায় গতিশীলভাবে তৈরি হয়, 27 জুলাই 2026 তারিখে প্রকাশ্য পাতা থেকে সেটি স্থিরভাবে পড়া যায়নি, এবং যেকোনো রূপান্তরিত অঙ্ক বিনিময় হারের সঙ্গে বদলে যায়। যে সংখ্যাটি আপনার জন্য প্রযোজ্য, সেটি আপনার নিজের অ্যাকাউন্টের ডিপোজিট পর্দাতেই দেখানো হবে।

নিচু সীমার পেছনের যুক্তিটা বোঝা দরকার, কারণ সেটা আপনার সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করে। কম প্রবেশমূল্য মানে বেশি মানুষ চেষ্টা করে দেখেন, আর প্ল্যাটফর্মের ব্যবসায়িক মডেল সংখ্যায় চলে। এতে অসততার কিছু নেই, এটি কেবল একটি বাজার-কৌশল। কিন্তু ব্যবহারকারীর দিক থেকে এর একটি পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া আছে: বাধা যত কম, ততই সিদ্ধান্তটা কম ভেবে নেওয়া হয়।

ছোট বাধার এই সুবিধা ও অসুবিধা দুটোই বাস্তব:

  • সুবিধা: ছোট অঙ্কে পুরো প্রক্রিয়াটা একবার পরীক্ষা করে দেখা যায়, বড় ঝুঁকি না নিয়েই;
  • সুবিধা: পেমেন্ট রুট কাজ করে কিনা এবং টাকা ফেরত আসার পথ কেমন, তা কম খরচে জানা যায়;
  • অসুবিধা: কম টাকা মানে কম গুরুত্ব, এই মনোভাব থেকে নিয়ম না মেনে ট্রেড করার প্রবণতা তৈরি হয়;
  • অসুবিধা: ছোট ব্যালেন্স দ্রুত শেষ হলে অনেকে সঙ্গে সঙ্গে আরও টাকা ঢোকান, যা মূল পরিকল্পনার বাইরে;
  • অসুবিধা: স্থির খরচগুলো ছোট অঙ্কের তুলনায় অনুপাতে বড় হয়ে দাঁড়ায়।

ইচ্ছাকৃতভাবে ছোট শুরু করার একটি সঠিক অর্থ আছে, এবং সেটি "যত কম সম্ভব ততই ভালো" নয়। সঠিক অর্থটি হলো, প্রথম ডিপোজিটের কাজ ট্রেড করে লাভ করা নয়, বরং পথটা পরীক্ষা করা: পেমেন্ট ঢুকল কিনা, ক্রেডিট কত দ্রুত দেখাল, ইন্টারফেস কেমন, যাচাইয়ের ধাপে কী চাওয়া হলো, আর টাকা ফেরানোর প্রক্রিয়াটি কীভাবে চলে। এই পরীক্ষার জন্য যতটুকু দরকার, ততটুকুই যথেষ্ট।

কম প্রবেশ সীমা আপনার জন্য সুবিধা তখনই, যখন আপনি সেটাকে পরীক্ষার সুযোগ হিসেবে ব্যবহার করেন, প্রবেশের অজুহাত হিসেবে নয়।

ন্যূনতম ফান্ড করা

ছোট অঙ্কে ফান্ডিং করার সময় শ্রেণিভেদে অভিজ্ঞতা আলাদা হয়, কারণ কিছু রুটে স্থির খরচ ও নিজস্ব সীমা থাকে যা ছোট লেনদেনে অনুপাতে বেশি চাপ ফেলে।

প্রথমেই একটি সীমারেখা: নিচের শ্রেণিগুলোর কোনোটি এই প্ল্যাটফর্মে ভারতীয় অ্যাকাউন্টের জন্য সক্রিয় বলে আমরা নিশ্চিত করছি না, এবং কোনো নির্দিষ্ট ব্যাঙ্ক, ওয়ালেট অ্যাপ বা পেমেন্ট প্রোভাইডারের নাম সমর্থিত হিসেবে লিখি না। কোনটি আপনার জন্য উপলব্ধ, তা কেবল আপনার অ্যাকাউন্টের ডিপোজিট পর্দাই দেখাতে পারে। Pocket Option ডিপোজিট পদ্ধতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা আলাদা প্রসঙ্গ; এখানে কেবল ছোট অঙ্কে সেগুলোর আচরণটুকু দেখা হচ্ছে।

UPI ধরনের তাৎক্ষণিক রুট ভারতীয় ব্যবহারকারীর কাছে সবচেয়ে পরিচিত, এবং ছোট অঙ্কে এটি স্বাভাবিকভাবেই সুবিধাজনক মনে হয়। তবে দেশীয় ব্যবস্থার সঙ্গে বিদেশি মার্চেন্টের সংযোগ পরোক্ষ, প্রাপ্যতা সময়ে সময়ে বদলায়, এবং দেশের ভেতরের তাৎক্ষণিক অভিজ্ঞতা সীমান্ত পেরোনো লেনদেনে হুবহু আশা করা ঠিক নয়।

কার্ড রুটে ছোট লেনদেন সাধারণত সহজ, কিন্তু ভারতীয় ইস্যুকারী ব্যাঙ্ক বিদেশি ট্রেডিং মার্চেন্টের লেনদেন প্রত্যাখ্যান করতে পারে, এবং সেটি ছোট-বড় নির্বিশেষে ঘটে। ব্যাঙ্ক ট্রান্সফার ছোট অঙ্কের জন্য সবচেয়ে কম উপযুক্ত, কারণ এতে সময় বেশি লাগে এবং প্রক্রিয়াটির স্থির খরচ ছোট লেনদেনে অনুপাতে বড় হয়ে দাঁড়ায়।

ই-ওয়ালেট শ্রেণিতে একটি বাড়তি মধ্যস্থতা স্তর থাকে, তার নিজস্ব যাচাই ও নিজস্ব সীমা থাকে, তাই ছোট অঙ্কে এটি কাজ করলেও প্রথমবার একটু বেশি ধাপ পেরোতে হয়। আর ক্রিপ্টো রুটে নেটওয়ার্ক ফি লেনদেনের আকারের সঙ্গে সবসময় সমানুপাতিক নয়, ফলে খুব ছোট অঙ্ক পাঠালে ফি অনুপাতে বড় হয়ে যেতে পারে; এর সঙ্গে যুক্ত হয় ভুল ঠিকানা বা নেটওয়ার্কের অপরিবর্তনীয়তা, যা ছোট অঙ্কেও একইরকম কঠিন।

আরেকটি বিষয় ছোট অঙ্কে বেশি চোখে পড়ে: প্রতিটি রুটেরই নিজস্ব সর্বনিম্ন লেনদেন-সীমা থাকতে পারে, এবং সেটি প্ল্যাটফর্মের প্রবেশ সীমার চেয়ে আলাদা হতে পারে। অর্থাৎ অ্যাকাউন্ট হয়তো খুব ছোট অঙ্ক গ্রহণ করে, কিন্তু আপনার বাছা পেমেন্ট পদ্ধতিটি তার চেয়ে বড় সীমা চাপাতে পারে। এই দুটি সীমার মধ্যে যেটি বড়, কার্যত সেটাই আপনার প্রকৃত ন্যূনতম। ডিপোজিট পর্দায় পদ্ধতি বাছার পরে সংখ্যাটি বদলে গেলে তাই অবাক হওয়ার কিছু নেই।

এই তুলনা থেকে একটি ব্যবহারিক নিয়ম বেরিয়ে আসে: ন্যূনতমের কাছাকাছি অঙ্কে ফান্ডিং করতে চাইলে এমন রুট বাছুন যেখানে স্থির খরচ কম এবং ধাপ কম, আর যেটিতে ভুল হলে আপনি নিজে বুঝতে পারবেন। গতি এখানে দ্বিতীয় বিবেচনা।

ছোট অঙ্কে রুট বাছার মাপকাঠি ভিন্ন: এখানে স্থির খরচ ও ধাপের সংখ্যাই সবচেয়ে বেশি ওজন পায়।

এর আশপাশের খরচ

ছোট ডিপোজিটে খরচের প্রভাব অনুপাতে বড়। যে চার্জ বড় অঙ্কে নগণ্য মনে হয়, ন্যূনতমের কাছাকাছি অঙ্কে সেটাই ব্যালেন্সের লক্ষণীয় অংশ খেয়ে নিতে পারে।

কোনো হার বা অঙ্ক আমরা লিখি না, কারণ সেগুলো যাচাইযোগ্য নয় এবং রুট ও সময়ভেদে বদলায়। তবে খরচের উৎসগুলো চেনা থাকলে হিসাবটা নিজেই করে নেওয়া যায়।

খরচের উৎসকে বসায়ছোট অঙ্কে প্রভাব
প্রোভাইডার বা গেটওয়ে চার্জপেমেন্ট প্রোভাইডারস্থির অংশ থাকলে অনুপাতে বেশি
মুদ্রা রূপান্তরের মার্জিনব্যাঙ্ক বা প্রোভাইডারশতাংশভিত্তিক, তাই অনুপাত অপরিবর্তিত
নেটওয়ার্ক ফিব্লকচেইন নেটওয়ার্কআকারের সঙ্গে সমানুপাতিক নয়, তাই বেশি চাপ
ব্যর্থ লেনদেনের খরচউভয় প্রান্তের ব্যবস্থাসময় নষ্ট, কখনও চার্জও
নিষ্ক্রিয়তা সংক্রান্ত কর্তনপ্ল্যাটফর্মের শর্তাবলিছোট ব্যালেন্স দ্রুত ক্ষয় করতে পারে

শেষ সারিটি বিশেষভাবে ছোট ডিপোজিটের সঙ্গে প্রাসঙ্গিক। এই খাতে নিষ্ক্রিয়তা সংক্রান্ত কর্তন একটি প্রচলিত ব্যবস্থা: দীর্ঘদিন কোনো কার্যকলাপ না থাকলে অ্যাকাউন্ট থেকে নিয়মিত কিছু কেটে নেওয়া হতে পারে। এর হার আমরা যাচাই করতে পারিনি, তবে যাঁরা ছোট অঙ্ক রেখে দীর্ঘদিন অ্যাকাউন্ট ফেলে রাখেন, তাঁদের জন্য এটি একটি বাস্তব বিবেচনা, এবং শর্তাবলিতে বিষয়টি আগে দেখে নেওয়া উচিত।

তৃতীয় পক্ষের টপ-আপ এড়ানোর প্রসঙ্গটি এখানেও প্রযোজ্য, এবং ছোট অঙ্কে প্রলোভনটা আরও বেশি। কেউ যদি বলেন যে তিনি সামান্য কমিশনে আপনার হয়ে অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকিয়ে দেবেন, প্রস্তাবটি প্রত্যাখ্যান করাই একমাত্র নিরাপদ পথ। এতে ফান্ডিংয়ের উৎস আপনার নিজের নামের বাইরে চলে যায়, ভবিষ্যতের পেআউটে পথ-মিলের নিয়ম ভেঙে যায়, এবং অ্যাকাউন্ট পর্যালোচনার মুখে পড়তে পারে। ছোট অঙ্কে সঞ্চয় করতে গিয়ে পুরো ব্যালেন্স আটকে যাওয়ার ঝুঁকি নেওয়ার কোনো যুক্তি নেই।

ন্যূনতমের কাছাকাছি ফান্ডিং করলে খরচের হিসাবটা শতাংশে নয়, ব্যালেন্সের অনুপাতে করে দেখুন; ছবিটা তখন আলাদা দেখায়।

প্রথম ডিপোজিট ফ্লো

প্রথম ফান্ডিংয়ের প্রতিটি ধাপকে একটি সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখুন, নিছক ক্রিয়া হিসেবে নয়। তাতে কোন ধাপে থেমে যাওয়া উচিত, সেটাও পরিষ্কার হয়ে যায়।

  1. সিদ্ধান্ত: আমি কি প্রস্তুত? ডেমো অ্যাকাউন্টে নিজের পদ্ধতি যথেষ্টবার পরীক্ষা করা হয়েছে কিনা, আর হারালেও চলে এমন টাকা আলাদা করা আছে কিনা, এই দুটির উত্তর "হ্যাঁ" না হলে এখানেই থামুন।
  2. সিদ্ধান্ত: প্রোফাইল ঠিক আছে তো? নাম, জন্মতারিখ ও ঠিকানা নিজের প্রকৃত নথির সঙ্গে হুবহু মেলানো আছে কিনা দেখুন। অমিল থাকলে আগে সেটি সংশোধন করুন, ডিপোজিটের পরে নয়।
  3. সিদ্ধান্ত: কোন রুট আমার? ডিপোজিট পর্দায় সত্যিই যে পদ্ধতিগুলো দেখাচ্ছে, তার মধ্য থেকে নিজের নামে নিবন্ধিত এবং ভবিষ্যতে টাকা ফেরত নিতেও স্বচ্ছন্দ, এমন একটি বাছুন।
  4. সিদ্ধান্ত: অফার নেব কি? বোনাস নির্বাচনের অংশটি দেখুন এবং শর্ত না পড়ে থাকলে বাদ দিন। প্রথম ডিপোজিটে অফার না নেওয়াই সরল পথ।
  5. সিদ্ধান্ত: এই অঙ্কেই কি? চূড়ান্ত পর্দায় দেখানো পরিমাণ ও চার্জ পড়ুন, এবং আপনি যা পাঠাচ্ছেন আর যা জমা হবে তার পার্থক্য দেখে নিন।
  6. নিশ্চিতকরণ ও যাচাই। লেনদেনের পরে ব্যালেন্স ও লেনদেন ইতিহাসে ক্রেডিট নিশ্চিত হয়েছে কিনা দেখুন এবং রেফারেন্স সংরক্ষণ করুন। ক্রেডিট না দেখালে একই পেমেন্ট আবার পাঠাবেন না; আগে ইতিহাস ও নিজের ব্যাঙ্ক বিবৃতি মিলিয়ে দেখুন।

ষষ্ঠ ধাপের সতর্কতাটি ছোট ডিপোজিটে বিশেষভাবে দরকারি, কারণ অঙ্ক ছোট বলে অনেকে ভাবেন "আবার পাঠিয়ে দিই"। দুটোই সফল হলে অতিরিক্ত অর্থ ফেরত পাওয়ার আলাদা প্রক্রিয়া শুরু করতে হয়, যা ছোট অঙ্কের তুলনায় অনেক বেশি সময়সাপেক্ষ।

পেআউট রুটের সঙ্গে মেলানোর প্রসঙ্গটিও এই ধাপেই নির্ধারিত হয়ে যায়। টাকা সাধারণত যে পথে ঢোকে সেই পথেই ফেরে, একই নামের অ্যাকাউন্টে, আর এটি এই খাতের মানসম্মত চর্চা। তাই তৃতীয় ধাপে নেওয়া সিদ্ধান্তটি আসলে আপনার ভবিষ্যতের পেআউট রুট। ভারত থেকে বিদেশে টাকা পাঠানো FEMA ও লিবারালাইজড রেমিট্যান্স স্কিমের আওতায় পড়ে এবং লেনদেন ও আয়ের ঘোষণার দায়িত্ব ব্যক্তির নিজের; নিশ্চিত হতে চাইলে ব্যাঙ্ক বা যোগ্য পেশাদারের সঙ্গে কথা বলুন। এটি কর বা আইনি পরামর্শ নয়।

প্রতিটি ধাপকে সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখলে থেমে যাওয়ার জায়গাগুলোও চোখে পড়ে, আর সেটাই প্রথম ডিপোজিটের সবচেয়ে বড় সুরক্ষা।

বেশি ডিপোজিট করবেন কি

ন্যূনতমের চেয়ে বেশি রাখার একমাত্র যুক্তিসঙ্গত কারণ হলো আপনার নিজের পরিকল্পনার প্রয়োজন, প্ল্যাটফর্মের কোনো প্রণোদনা নয়।

ওভার-ফান্ডিং একটি চেনা ফাঁদ, এবং এটি সাধারণত দুটি পথে ঘটে। প্রথম পথ: ছোট ব্যালেন্স দ্রুত শেষ হয়ে যাওয়ার পরে সঙ্গে সঙ্গে আবার টাকা ঢোকানো, যাতে "সুযোগ" হাতছাড়া না হয়। দ্বিতীয় পথ: কোনো অফার বা স্তরভিত্তিক সুবিধার শর্ত পূরণ করতে পরিকল্পনার বাইরে বড় অঙ্ক জমা দেওয়া। দুটোই সিদ্ধান্তটিকে আপনার হাত থেকে সরিয়ে পরিস্থিতির হাতে তুলে দেয়।

বোনাস সংক্রান্ত বিবেচনাটি এখানেই আসে, এবং সংক্ষেপেই যথেষ্ট। বেশি ডিপোজিট করলে বড় অফার পাওয়া যেতে পারে, কিন্তু অফার নিলে ব্যালেন্সের উপর একটি বাড়তি শর্তস্তর বসে, যা টাকা তোলার সময়টিকে জটিল করে। কোনো শতাংশ, সীমা বা গুণিতক আমরা প্রকাশ করি না; যা বলার তা হলো, অফারের আকার দেখে ডিপোজিটের আকার ঠিক করা উল্টো ক্রম।

যে কাঠামোয় সিদ্ধান্তটি নেওয়া যায়:

আপনার অবস্থাযুক্তিসঙ্গত অবস্থান
এখনও ডেমোতে পদ্ধতি যাচাই করছেনএখনই ফান্ডিং নয়; ডেমোতেই থাকুন
প্রথমবার রুট পরীক্ষা করতে চানযতটুকু দরকার ততটুকু, এবং একবার পেআউট করে দেখুন
নিয়মিত ট্রেড করেন, ঝুঁকির সীমা লেখা আছেসেই লিখিত সীমার ভেতরেই ফান্ডিং
ক্ষতির পরে টাকা ফেরানোর তাগিদ কাজ করছেডিপোজিট নয়; বিরতি নিন
অফারের শর্ত পূরণ করতে চাইছেনডিপোজিট নয়; অফারকে সিদ্ধান্তের কারণ হতে দেবেন না

ছকের দ্বিতীয় সারিটি নিয়ে একটু বলা দরকার, কারণ এটিই বেশিরভাগ নতুন ব্যবহারকারীর অবস্থা। রুট পরীক্ষা করার অর্থ কেবল টাকা ঢোকানো নয়, বরং পুরো চক্রটা একবার শেষ করা: ফান্ড করা, যাচাইয়ের ধাপ পেরোনো, এবং তারপর একটি ছোট পেআউট চেয়ে টাকা ফেরত আসা পর্যন্ত দেখা। এই চক্রটি একবার সম্পন্ন হলে আপনি প্ল্যাটফর্ম সম্পর্কে যা জানবেন, তা কোনো রিভিউ পড়ে জানা সম্ভব নয়, এবং সেটাই ছোট প্রথম ডিপোজিটের সবচেয়ে বড় প্রতিদান।

শেষ দুটি সারি ইচ্ছাকৃতভাবে স্পষ্ট রাখা হয়েছে, কারণ এই দুটি পরিস্থিতিতেই সবচেয়ে বেশি অপরিকল্পিত টাকা অ্যাকাউন্টে ঢোকে। ক্ষতির পরে দ্রুত পুষিয়ে নেওয়ার তাগিদ থেকে নেওয়া কোনো আর্থিক সিদ্ধান্তই ভালো সিদ্ধান্ত হয় না, আর সেটি এই প্রোডাক্টের ক্ষেত্রে বিশেষভাবে সত্যি।

উদ্বৃত্ত পুঁজির সংজ্ঞাটিও পরিষ্কার থাকা দরকার: নিয়মিত খরচ, জরুরি তহবিল, ঋণের কিস্তি ও নির্দিষ্ট লক্ষ্যের সঞ্চয় বাদ দেওয়ার পরে যা থাকে, সেটাই উদ্বৃত্ত। ধার করা টাকা বা ক্রেডিট কার্ডের সীমা উদ্বৃত্ত নয়। ফিক্সড-টাইম ট্রেডিং উচ্চ ঝুঁকির স্বল্পমেয়াদি স্পেকুলেশন, এবং বাইনারি অপশনের ঝুঁকি সম্পর্কে যা বলা হয় তা ছোট ডিপোজিটেও সমানভাবে খাটে; এই শ্রেণিতে বেশিরভাগ খুচরা অ্যাকাউন্ট টাকা হারায়, এবং অপারেটরটি অফশোর ও SEBI-নিবন্ধিত না হওয়ায় ভারতে কোনো নিয়ন্ত্রক প্রতিকারের পথ নেই।

কত রাখবেন তার উত্তর প্ল্যাটফর্মের সীমায় নেই, আপনার নিজের লিখিত ঝুঁকির সীমায় আছে।

সাধারণ প্রশ্নোত্তর

ন্যূনতম ডিপোজিট ঠিক কত টাকা?

কোনো অঙ্ক আমরা লিখি না। সীমাটি পাতায় গতিশীলভাবে দেখানো হয়, প্রকাশ্য পাতা থেকে সেটি স্থিরভাবে যাচাই করা যায়নি, এবং রূপান্তরিত যেকোনো অঙ্ক বিনিময় হারের সঙ্গে বদলে যায়। আপনার জন্য প্রযোজ্য সংখ্যাটি অ্যাকাউন্টের ডিপোজিট পর্দাতেই দেখা যাবে, এবং সেটিই একমাত্র নির্ভরযোগ্য তথ্য।

ন্যূনতম দিয়ে শুরু করলে কি কম সুবিধা পাব?

প্ল্যাটফর্মের মূল কার্যকারিতা, অর্থাৎ ট্রেডিং, চার্ট, ডেমো ও পেআউট, ডিপোজিটের আকারের উপর নির্ভর করে না। কিছু প্রচারমূলক অফার বড় ডিপোজিটের সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারে, কিন্তু অফার নিলে ব্যালেন্সের উপর বাড়তি শর্ত বসে। প্রথমবার ছোট অঙ্কে শুরু করার আসল সুবিধা হলো পুরো চক্রটা কম খরচে একবার পরীক্ষা করে নেওয়া যায়।

ছোট অঙ্ক পাঠালে ফি অনুপাতে বেশি লাগে কি?

কিছু ক্ষেত্রে হ্যাঁ। শতাংশভিত্তিক চার্জে অনুপাত একই থাকে, কিন্তু স্থির চার্জ বা ক্রিপ্টো নেটওয়ার্ক ফি লেনদেনের আকারের সঙ্গে সবসময় সমানুপাতিক নয়, ফলে খুব ছোট অঙ্কে সেগুলো ভারী মনে হয়। কোনো হার আমরা লিখি না; নিশ্চিত করার আগে পর্দায় দেখানো চূড়ান্ত পরিমাণটি পড়ে নিলে প্রকৃত খরচ সেখানেই ধরা পড়ে।

ব্যালেন্স শেষ হয়ে গেলে আবার ডিপোজিট করা উচিত?

সঙ্গে সঙ্গে নয়। ক্ষতির পরপরই টাকা ফেরানোর তাগিদ থেকে নেওয়া সিদ্ধান্ত সাধারণত পরিকল্পনার বাইরে যায়, এবং এই প্রোডাক্টে সেটি ব্যয়বহুল হতে পারে। আগে থেকে যদি একটি লিখিত সীমা ও ফান্ডিংয়ের ছন্দ ঠিক করা থাকে, তাহলে সেই পরিকল্পনাই অনুসরণ করুন; না থাকলে বিরতি নিয়ে ডেমোতে ফিরে পদ্ধতিটি আবার দেখে নেওয়াই যুক্তিসঙ্গত।

কেউ কম কমিশনে ডিপোজিট করে দিতে চাইলে?

প্রস্তাবটি নেবেন না। ফান্ডিংয়ের উৎস অ্যাকাউন্টধারীর নিজের নামে থাকা এই খাতের মৌলিক নিয়ম, কারণ পেআউট সাধারণত একই পথে ও একই নামে ফেরে। তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে টাকা ঢোকালে পরে টাকা তোলার সময় অনুরোধ প্রশ্নের মুখে পড়তে পারে এবং অ্যাকাউন্ট পর্যালোচনায় যেতে পারে। এটি একটি পরিচিত প্রতারণার ধরনও বটে।